বুধবার | ১৪ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

ইসলামবিদ্বেষীদের প্রতিরোধের ডাক দিল তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ

মত প্রকাশের স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে যারা ইসলামবিদ্বেষী কর্মকান্ড পরিচালনা করে তাদের প্রতিরোধ করার আহ্বান জানিয়েছে তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দেশটির রাষ্ট্রপতি ভবনে রজব তাইয়্যেব এরদোগানের নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তরের একটি বিবৃতি অনুযায়ী বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, এই ধরনের ‘জঘন্যতম কাজ’ জাতিসংঘ কর্তৃক ঘৃণামূলক অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করা সত্ত্বেও কিছু দেশ তা প্রতিরোধে দায়িত্ব পালন করছে না। এই ধরনের উস্কানিমূলক কাজ ইসলাম ধর্মের অনুসারী ২০০ কোটি মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। তাই যত দ্রুত সম্ভব এসব রাষ্ট্রগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে পবিত্র মূল্যবোধের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে একত্রে লড়াই করা উচিত।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তর ইউরোপ ও নর্ডিক দেশগুলোতে ইসলামবিরোধী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর দ্বারা লাগাতার পবিত্র কুরআন পোড়ানো, অপবিত্র করা এবং অবমাননার ঘটনা ঘটেছে। যা গোটা মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

এছাড়াও এই বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন চলমান যুদ্ধ ও অত্র অঞ্চলে তার প্রভাব নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে, উভয় পক্ষকে আলোচনায় বসতে ও যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়াও কৃষ্ণ সাগর দিয়ে শস্য রপ্তানি চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এটি গরিব দেশগুলোতে খাদ্য সংকট প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

গতবছরের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে কৃষ্ণসাগর থেকে শস্য রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। তবে একই বছরের জুলাই মাসে কৃষ্ণ সাগর দিয়ে শস্য রপ্তানি চালু করার জন্য রাশিয়ার সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে তুরস্ক, জাতিসংঘ ও ইউক্রেন। কিন্তু চলতি বছরের ১৭ জুলাই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে তা বাতিল করে দেয় রাশিয়া।

উল্লেখ্য; ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান যুদ্ধের শুরু থেকেই মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করে আসছে তুরস্ক। যা তাকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত করেছে। ইতিপূর্বেও কিয়েভ ও মস্কোকে আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ