জলাবদ্ধতা ও বন্যায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক স্থানে রেললাইন ভেঙে নিচ দিয়ে পানি চলাচল করছে। আবার কোথাও রেললাইনের পাথর সরে গেছে এবং সেতুও ধসে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেপ্টেম্বরে উদ্বোধন হচ্ছে না ১৮ হাজার কোটি টাকার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ। তবে এক মাস পিছিয়ে অক্টোবরের শেষে উদ্বোধন হবে জনিয়েছেন প্রকল্পটির পরিচালক।
অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, রেলপথের কারণে পানি আটকে ডুবে যায় সাতকানিয়া চন্দনাইশসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের কয়েকটি উপজেলা। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, সেতু কিংবা কালভার্ট নয় অতি বৃষ্টিতে ডুবেছে এলাকা।
স্থানীয়দের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, বন্যায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের সাতকানিয়ার কেরানিহাট অংশে ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় প্রবল স্রোত। এতে আঁকাবাঁকা হয়ে যায় রেললাইন। পানির স্রোতে দেবে গিয়ে সৃষ্টি হয় বড় বড় গর্তের। নিচ থেকে সরে যায় পাথরও।
স্থানীয় আবুল কাশেম অভিযোগ করে বলেন, রেললাইনের কারণে আমাদের এখন বন্যা হয়েছে। পাহাড়ি থেকে নেমে আসা পানি সরে যাওয়ার পথ না পেয়ে রেললাইনের ওপর প্রবাহিত হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, পানি প্রবাহিত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সেতু ও কালভার্ট নেই রেলপথে। ফলে বান্দরবান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি রেললাইনে আটকে তৈরি হয় বন্যা।
তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বলছে, চকরিয়া থেকে চট্টগ্রাম লট-ওয়ান ৫০ কিলোমিটার অংশে ১৮টি সেতু ও ১৪০টি কালভার্ট রয়েছে। তাদের দাবি, সেতু কিংবা কালভার্ট নয় অতি বৃষ্টির কারণে বন্যায় ডুবেছে এলাকা











