সরকারকে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেন, এই সংবিধানের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না।
তিনি বলেন, এই সরকার আবারও ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। গুম-খুন-হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে। যারা এসবের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে
আজ শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির এক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
জুমার নামাজের পরে শুরু হয় পৃথকভাবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির সমাবেশ। দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়কে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাসসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা আর কোনো জুলুম সহ্য করব না। আমরা জুলুমবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছি। সরকারের বিরুদ্ধে সারা বাংলাদেশ ফুঁসে উঠেছে। আপনারা প্রস্তুতি নিন, সময় আসছে আন্দোলনের জোয়ারে সরকারকে ভাসিয়ে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় থাকতে পোড়ামাটি নীতি গ্রহণ করেছে। সরকার মানুষের ওপর নির্যাতন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। কোনো ডিসি এসপি অন্যায় করলে দেশের আইনে বিচার করা হবে। প্রতিহিংসার প্রতিশোধ নেওয়া হবে না।
সমাবেশ উপলক্ষে দুপুরের পর থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে হাতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান লেখা প্লেকার্ড ও নিজ সংগঠনের ব্যানার নিয়ে সমবেত হতে থাকেন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিক দল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও জাসাসসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
দুপুরের পর থেকেই দলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে শুরু করেন। বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মুহাম্মাদ সুমন ভূঁইয়া ও সদস্য সচিব বদরুল আলম সবুজ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবীউল্লাহ নবী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন সরদার, আকবর হোসেন নান্টু ভূঁইয়া, জামশেদুল আলম শ্যামল, শ্যামপুর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলীম আল বারী জুয়েল, ডেমরা থানা বিএনপির সাবেক ছাত্রনেতা মনির হোসেন খানসহ নেতারা মিছিল নিয়ে সমাবেশে আসেন।










