খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেছেন, রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে জনগণ যাতে সরকারের সমালোচনা করতে না পারে তার জন্য নতুন কালাকানুন সাইবার সিকিউরিটি আইন কার্যকর করা হচ্ছে। আজ সরকারের সমালোচনা আর রাষ্ট্রদ্রোহীতাকে এক করে ফেলা হচ্ছে। অথচ রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থা কখনো এক নয়। এই কালো আইন কার্যকর হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বলতে কিছু থাকবে না। সেখানে সরকারের বিরুদ্ধে কোন সংবাদ আর প্রচার করা যাবে না। আইন করে এভাবে মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
আজ শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) সরাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত খেলাফত মজলিস রমনা থানা শাখার সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী।
মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, এই সরকারকে অবশ্যই দলনিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফেরত চায়, বেঁচে থাকার অধিকার চায়। খেলাফত মজলিসের ৮দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ১৪ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশ সফল করতে হবে। সরকারকে জনগণের দাবি অবশ্যই মেনে নিতে হবে।
দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন সহ খেলাফত মজলিস ঘোষিত ৮দফা দাবি আদায়ের আগামী ১৪ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন থানা সভাপতি মাওলানা শরীফ উদ্দিন।
রমনা থানা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, সহ-সভাপতি মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তর সাধারণ সম্পাদক প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক, শ্রমিক মজলিস সহ-সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম এরশাদ, ছাত্রনেতা তৌফিক বিন হারিস সহ থানা নেতৃবৃন্দ। পরে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।










