অবরুদ্ধ গাজ্জা উপত্যকায় বোমা হামলা চালিয়ে প্রায় ২ মিলিয়ন ফিলিস্তিনিকে ঘর ছাড়া করেছে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল। এবার এইসব ফাকা বাড়ি ইচ্ছামত ধ্বংস ও সেখানে থাকা ফিলিস্তিনিদের ধন সম্পদ লুটপাট করছে ইসরাইলি বাহিনী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছে স্বয়ং ইসরাইলের বিখ্যাত পত্রিকার একজন বিশ্লেষক।
বৃহস্পতিবার ইসরাইলি দৈনিক সংবাদপত্র ইয়েদিওথ আহরোনোথের প্রধান বিশ্লেষক নাহুম বার্নিয়া এই অভিযোগ আনেন।
তার মতে, ইসরাইলি বাহিনীর এমন আচরণ দেশটির জন্য ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ দখলদার বাহিনীর এমন অপকর্মগুলোকেই আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে প্রমাণ হিসেবে পেশ করা হয়েছে।
বার্নিয়া তার লিখিত প্রতিবেদনে বলেন, গাজ্জার আইন পরিষদ ভবনে বোমা হামলার কোন প্রয়োজন ছিল না। দায়িত্বরত একজন মাঠ কমান্ডারের দ্বারা এই আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও এই বোমা হামলা ইসরাইলি সেনা কর্মকর্তাদের খুশি করেনি।
ফিলিস্তিনিদের বাসাবাড়িতে লুটপাটের বিষয়টি প্রমাণ করতে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রধান কর্মকর্তা হারজি হালেভির উদ্ধৃতি ব্যবহার করেছেন বার্নিয়া। কারণ ইতিপূর্বে গাজ্জায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী কর্তৃক লুটপাট হয়েছে বলে স্বীকার করেছিলেন হালেভি।
প্রতিবেদনে বার্নিয়া বলেন, “ইসরাইলি বাহিনীর প্রধান কর্মকর্তা এটি নিশ্চিত করেছেন যে, যুদ্ধক্ষেত্রে কমান্ডার ও সৈন্যরা মিলে এমন কিছু কাজ করেছেন যার অনুমতি দেওয়া হয়নি। হালেভি এটি স্বীকার করেছেন যে, গাজ্জায় লুটতরাজ, আইন লঙ্ঘন এবং সেখানের দেয়ালগুলোতে অপ্রয়োজনীয় লেখালেখি করেছে দখলদার বাহিনী।”
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, “গাজ্জায় ইসরাইলি বাহিনী এসব ভিডিও করে অনলাইনেও আপলোড দিয়েছে, যা ইসরাইলি নৃশংসতাকে প্রমান করে ও তেল আবিবের নিন্দার সুযোগ করে দেয়।”
প্রতিবেদনে, ইসরাইলি বাহিনীর গোয়েন্দা ‘ইউনিট -৫০৪’ এর একজন কর্মকর্তার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। যিনি ফিলিস্তিনের একজন বন্দীকে উলঙ্গ করে তার দেহের উপরে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছিলেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











