ইয়েমেনের জলসীমায় প্রবেশের পূর্বে দেশটির হুথি নিয়ন্ত্রিত সামুদ্রিক বিষয়ক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছেন সশস্ত্র সংগঠনটির যোগাযোগ মন্ত্রী মিসফার আল নুমাইর।
সোমবার (৪ মার্চ) হুথিদের পরিচালিত আল মাশিরাহ টিভি চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আল নুমাইর।
তিনি বলেন, “জাহাজগুলোকে ইয়েমেনের নৌবাহিনী দ্বারা চিহ্নিত করা ও লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলের অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আমরা। আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে চাই, এটি তাদের উদ্বেগ কমানো ও নিরাপত্তার জন্য করা হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, গত বছরের নভেম্বর থেকে লোহিত সাগরে ইসরাইল সংশ্লিষ্ট ও ইসরাইলগামী জাহাজগুলোতে আক্রমণ শুরু করেছে ইরান সমর্থিত হুথি যোদ্ধারা। অবরুদ্ধ গাজ্জা উপত্যকায় ইসরাইলি আগ্রাসনে জর্জরিত ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে বলে দাবি হুথিদের। যদি এর পাল্টা জবাবে ইয়েমেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।
এদিকে, হংকং ভিত্তিক বৈশ্বিক যোগাযোগ সংস্থা ‘এইচজিসি’ সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, লোহিত সাগরের পানির নিচে থাকা অন্তত ৪ টি যোগাযোগ ক্যাবল নষ্ট হয়ে গেছে এক সপ্তাহ আগে। যদিও কি জন্য অথবা কাদের দ্বারা এটি নষ্ট হয়েছে সে বিষয়ে কোনো কিছুই জানায়নি এইচজিসি।
শনিবার, এসব ক্যাবল নষ্টের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পরিচালিত হামলাকে দায়ী করেছে আল নুমাইর।
অন্যদিকে, এসব হামলা থেকে হুথিদের রুখতে পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব রবার্ট গ্যাটেজ।
তিনি বলেন, গাজ্জায় একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে যদি ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বড় অভিযানের সমাপ্তি ঘটানো যায়, তাহলে সম্ভবত লোহিত সাগরে চলাচল করা জাহাজগুলোতে আক্রমণ থামিয়ে দিবে হুথিরা।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











