দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে দেশের সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলো খালি করে দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ঋণখেলাপিদের তথ্য গোপন করে দেশকে দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে। ব্যাংকগুলোর অনিয়ম ও জালিয়াতির ঘটনা আর্থিক চিত্রে ক্রমেই ফুটে উঠতে শুরু করেছে। এসব কারণে খেলাপি ঋণ আরও বেড়েছে। তিন মাসেই ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। গত মার্চের শেষে ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা মোট ঋণের ১১ দশমিক ১১ শতাংশ।
আজ বুধবার বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দলের সহকারি মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, আলাহজ্ব নজরুল ইসলাম খোকন।
প্রিন্সিপাল মাদানী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কারণ এই দুর্নিিডত ও লুটপাট। ব্যাংকের গভর্নরকে ঘুষ দিলে খেলাপিদের তথ্য গোপন করা হতো। তিনি বলেন, ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়ে এখন ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা যদি দেখিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু একটি সংস্থার তথ্যে যা উঠে এসেছে, তা রীতিমত অবাক করে দেয়ার মতো অবস্থা। আর তা হলো ঋণখেলাপির পরিমাণ ৫ হাজার কোটির টাকারও বেশি। এভাবেই ব্যাংকগুলো খালি করে দিয়ে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করা হচ্ছে।
ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আরও বলেন, যারা ঋণখেলাপি, তারা সরকার দলীয় এমপি ও সরকার দলীয় লোকজন। কয়েক এমপির মিলেই ব্যাংকগুলোকে খালি করে দেয়া হয়েছে। এসব রাঘব বোয়ালদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং খেলাপি ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশের অর্থনীতি ব্যবস্থাকে সচল করতে হবে।










