কণ্ঠশিল্পী ও বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর বলেছেন, এই দেশে ফ্যাসিস্টের সূতিকাগার স্থাপন করেছিল একদলীয় বাকশালতন্ত্র। শহীদ জিয়াউর রহমান দেশের অগ্রযাত্রায় কায়েম করেছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। সেই সিদ্ধান্তের কারণে ফ্যাসিস্টদের পূনর্বাসন নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের বুকে। ১৯৮১ সালের ৩০শে মে বাংলাদেশের জনপ্রিয়তম রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়ার মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির পর পলাতক ফ্যাসিস্ট নেত্রী বলেছিল- আই অ্যাম নট আনহ্যাপি।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। তিনি সেই ফ্যাসিস্টের জেল জুলুম অত্যাচারে দেশের মানুষকে ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বেগম জিয়া আজ গুরুতর অসুস্থ। সারা দেশের মানুষ কায়মনোবাক্যে উনার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করছেন। সেই সুযোগে পতিত ফ্যাসিস্টের দোসররা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়াজ তোলার চেষ্টা করছে তারেক রহমান কেন এই সময়ে মায়ের পাশে নেই! সাথে যোগ যোগ দিয়েছেন কিছু আবেগী মানুষও।
তিনি বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নির্যাতিত রাজনৈতিক ব্যক্তি। ১/১১ এর সময় উনার উপর দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের সেই অত্যাচারের কথা ভুলে যাইনি আমরা। ফ্যাসিস্টরা আবার নট আনহ্যাপি শব্দ শোনার জন্য নানান রকম প্রচারণা চালাচ্ছে। দেশের প্রতি শহীদ জিয়া পরিবারের ত্যাগ এবং দায়িত্বশীলতার বিষয়ে কোন প্রশ্ন নেই। সঠিক নিরাপত্তা এবং ভূ- রাজনৈতিক হিসাব নিকাশের অবসান ঘটিয়ে অবশ্যই দ্রুত দেশে ফিরবেন তারেক রহমান। তিনি নতুন কোন খেলার বলি হউন সেটি আমরা চাইনা, এতে রাষ্ট্র আরো অস্থিতিশীলতার মুখে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আপোষহীন লড়াকু জননেত্রী, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ্ তার সহায় হবেন। কিছু রাজনৈতিক কুমির ছাড়া ম্যাডামের সুস্থ্যতার জন্য আজ পুরো দেশ কাঁদছে, দোয়া করছে। কোন আবেগের ফাঁদে পা দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের সুযোগ দেয়া উচিত হবেনা, কুম্ভীরাশ্রু দেখতে চাইনা। আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসুন। আপনার অপেক্ষায় এই হতভাগা জাতি দোয়া প্রার্থনায়, ভালবাসা অবিরাম।









