পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তারা আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করে এবং দেশের সরকারে কোনো হস্তক্ষেপ করার উদ্দেশ্য নেই।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দরাবি এসব কথা বলেন।
আফগানিস্তানের নেতৃত্ব পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তাহির আন্দরাবি বলেন, “কোন সরকার তারা চায়, তা বেছে নেওয়ার দায়িত্ব আফগান জনগণের। আমরা বর্তমান প্রশাসন, অর্থাৎ কাবুলের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য প্রস্তুত।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিবেশী দেশের ব্যাপারে শাসন পরিবর্তন শব্দটি ব্যবহার করা ভুল।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের নীতি হলো আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান রাখা এবং কাবুল সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক সহযোগিতা বজায় রাখা।
তাহির আন্দরাবি বলেন, ইসলামাবাদ এখনও ইমারাতে ইসলামিয়া থেকে লিখিত নিশ্চয়তার অপেক্ষায় আছে যে, আফগান ভূমি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না। বাণিজ্যিক সীমান্তপথ বন্ধ থাকার বিষয়টি মূলত এ সমস্যার সঙ্গে যুক্ত।
তিনি জানান, সীমান্তপথ বন্ধ হওয়ার পর থেকে ৩০৬ জন পাকিস্তানি নাগরিক বিমান পথে দেশে ফিরেছেন, যাদের মধ্যে ১৫ জন ছাত্র।
পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বারবার দাবি করেছেন যে, পাকিস্তানে হওয়া হামলাগুলি আফগানিস্তানের মাটিতে থাকা সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংগঠিত হয়েছে।
তবে ইমারাতে ইসলামিয়া পাকিস্তানের এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের কথা মতে, “অস্থিতিশীলতার মূল কারণ দেশের ভেতরেই, এবং আফগানিস্তানকে দায়ী করা যায় না।”
সূত্র: আরিয়ানা নিউজ











