বুধবার | ৭ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

আইএস স্থাপনা দাবী করে সিরিয়ায় ব্রিটেন ও ফ্রান্সের যৌথ বিমান হামলা

আইএস স্থাপনা দাবী করে সিরিয়ায় যৌথ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটিশ সরকার সিরিয়ায় আইএসের ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় যৌথ বিমান হামলা চালানোর বিবৃতিতে দিয়েছে।

বিবৃতিতে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব জন হিলি বলেন, দায়েশ যেন পুনরায় তাদের সক্ষমতা গড়ে তুলতে না পারে এবং তাদের বিপজ্জনক ও সহিংস মতাদর্শ ছড়াতে না পারে সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এই পদক্ষেপটি আমাদের যুক্তরাজ্য সরকার ও মিত্রদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানোর দৃঢ় সংকল্পের প্রমাণ। মধ্যপ্রাচ্যে দায়েশের যেকোনো ধরণের পুনরুত্থান রুখে দিতে এবং তাদের বিপজ্জনক ও সহিংস মতাদর্শ নির্মূল করতেই আমরা এটি করেছি।

এছাড়াও বলেন, আমাদের জীবনধারাকে হুমকির মুখে ফেলা বিপজ্জনক সন্ত্রাসীদের নির্মূলের এই অভিযান দেখায় যে দেশের ভেতরে ব্রিটেনকে নিরাপদ রাখতে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সবসময় প্রস্তুত।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৯ সালে দায়েশের সামরিক পরাজয়ের পর সংগঠনটির যেকোনো ধরণের পুনরুত্থান ঠেকাতে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্স সিরিয়ার আকাশে নিয়মিত টহল দিচ্ছে।

গত কয়েকদিনের টহল ও গোয়েন্দা বিশ্লেষণে সিরিয়ার প্রাচীন পালমিরা নগরীর উত্তরে কয়েক মাইল দূরের পাহাড়ি এলাকায় একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনা শনাক্ত করা হয়, দায়েশ যা অস্ত্র ও বিস্ফোরক সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করছিলো বলে ধারণা করা হয়। স্থাপনাটির আশপাশে কোনো বেসামরিক বসতিও ছিলো না।

এই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার, ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ‘টাইফুন এফজিআরফোরএস’ যুদ্ধবিমান ভয়েজার রিফুয়েলিং ট্যাংকারের সহায়তায় ফ্রান্সের বিমান বাহিনীর সাথে যৌথভাবে ওই ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা চালায়।

এছাড়াও জানানো হয় যে, হামলায় পেভওয়ে আইভি নির্দেশিত বোমা ব্যবহার করা হয়। বোমাগুলো স্থাপনায় যাওয়ার একাধিক প্রবেশপথের টানেল আঘাত হানে।

হামলার বিস্তারিত মূল্যায়ন এখনো চলমান রয়েছে উল্লেখ করে বলা হয়, বোমাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানায় প্রাথমিকভাবে হামলা সফল হয়েছে বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া বেসামরিকদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে এমন কোনো তথ্য এখনো আসেনি। অভিযানে যাওয়া বিমানগুলোও নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে এসেছে।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ