আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে হামাস যদি নিরস্ত্র না হয়, তাহলে তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ট্রাম্প দাবি করেন, হামাস তাদের অস্ত্র ত্যাগ করতে রাজি হয়েছে। যদিও ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস প্রকাশ্যে অস্ত্র সমর্পণের এমন কোনো ঘোষণা এখন পর্যন্ত দেয়নি।
তিনি বলেন, হামাসের পক্ষে অস্ত্র ত্যাগ করা কঠিন কাজ। তবে তারা এটা করতে রাজি হয়েছে। আগামী দুই-তিন দিন, সর্বোচ্চ তিন সপ্তাহের মধ্যেই আমরা এটা জানতে পারব।’
ট্রাম্প আরো দাবি করেন, ৫৯টি দেশ গাজ্জায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে অংশ নিতে আগ্রহী, যাদের উদ্দেশ্য হবে হামাসকে নির্মূল করা। তবে বাস্তবে এই বাহিনীতে সেনা পাঠাতে বহু দেশ অনাগ্রহী, এমনকি আজারবাইজান ইতিমধ্যেই অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
ট্রাম্পের গাজ্জা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে গাজ্জাকে ধীরে ধীরে নিরস্ত্রীকরণ, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন ও পুনর্গঠনের পথে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যদিও আন্তর্জাতিক বাহিনীর ভূমিকা এখন সীমিত হয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তায় কেন্দ্রীভূত হতে পারে।
এদিকে গাজ্জার প্রশাসনে তুরস্ক ও কাতারের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তুরস্ক বা কাতারের কোনো বাহিনী গাজ্জায় প্রবেশ করতে পারবে না।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল











