ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করীম বলেছেন, আগামী নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ নির্বিঘ্ন করতে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর যৌথভাবে কাজ করা প্রয়োজন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠকে তিনি নির্বাচন, সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নীতিগত স্পষ্টতা, বৃহত্তর রাজনৈতিক সমঝোতার ব্যর্থতার কারণ এবং ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনি অবস্থান ও কর্মপন্থা নিয়েও কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘকাল ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্র পরিচালনার জনতার মতামত প্রয়োগের একটা সুযোগ তৈরি হবে। সেই সুযোগকে নির্বিঘ্নে কাজ লাগাতে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।”
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
চরমোনাই পীর বলেন, লক্ষ্যে অস্পষ্টতা থাকলে পথচলা যায় না। নির্বাচন, সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় কোন নীতি অনুসৃত হবে সেই বিষয়ে পরিস্কার ও স্পষ্ট কোন ধারণা ও অবস্থান নিতে ব্যর্থতার কারণেই বৃহত্তর রাজনৈতিক সমঝোতা শেষ পর্যন্ত কাজ করে নাই। বিশেষত সমঝোতার একটি বৃহৎ দলের নীতি-অস্পষ্টতা জটিলতা আরো বৃদ্ধি করেছে।
তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলাম অনুসরণে কোন দ্বিধা করে না; বরং গর্বের সাথে উচ্চকণ্ঠে ইসলামের নীতি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনেও তারা উচ্চকণ্ঠে ইসলামের নীতি বাস্তবায়নের জন্য জনতার দুয়ারে দুয়ারে দাওয়াত নিয়ে যাবেন। সেই লক্ষেই সবাইকে কাজ করতে হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা সিদ্দিকুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।











