শনিবার | ৩১ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

“কুরআন-হাদিস অনুসারে, যারা যাকাত দেন না তারা মোনাফেক: ধর্ম উপদেষ্টা”

বাংলাদেশের বহু মানুষ যাকাত দেন না, এতে করে তাদের ঈমান নেই, এমন মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন।

তিনি বলেন, একেবারে কুরআন ও হাদিসের “টেনেটস অফ ইসলাম” অনুসারে, যারা যাকাত দেন না ও মানেন না তারা বিশ্বাসী নয়, তেমনি মোনাফেক। আর যারা দেন, তারা পাক্কা ঈমানদার।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে চতুর্দশ যাকাত ফেয়ার-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, সরকারের পক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে একটি যাকাত বোর্ড আছে। আমরা এটাকেও বেশি প্রস্তুত করতে পারিনি। কালেকশন করি প্রায় ১১ কোটি টাকার মতো। তবে এখানে স্বচ্ছতা ও ট্রান্সপারেন্সি নিশ্চিত আছে। জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে, যেখানে যত হয়, ৮০ ভাগ টাকা সেখানে বিতরণ করি। ২০ শতাংশ সেন্ট্রালি বিতরণ করি। কিন্তু আহরণ কম। সেই হিসেবে সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট ১০ গুণ বেশি এগিয়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে বহু ধনী ব্যক্তি আছেন, যারা ক্যালকুলেশন করে যাকাত দেন না। তারা একটি থোক বরাদ্দ দেন। কিন্তু যাকাত না দিলে যে ভয়াবহ শাস্তি আছে, তা আমরা অনেকেই জানি না। এটি আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবে।

যৌনকর্মকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করা দুঃখজনক বলে উল্লেখ করে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, দেশে যত যৌনকর্মী আছেন, আমরা তাদের দৌড়াই, মারি। কোনোদিন ভাবিনি, তাদের পেটে ভাত আছে কিনা। কেন অভিজাত এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা ঘুরে বেড়ায়? কারণ দারিদ্র্য। আমরা এই পেশার পরিবর্তন চাই। তাদেরকে যদি অন্নসংস্থান ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারি, তাহলে তারা এই আদিম পেশা থেকে মুক্তি পাবে, এবং সেটা যাকাতের মাধ্যমে সম্ভব।

এছাড়া যাকাতকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম)-এর অবদান অনিবার্য। ধর্ম উপদেষ্টা মন্তব্য করেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে যাকাত প্রতিষ্ঠিত হলে দারিদ্র্য বিমোচনে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ