পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপির জোটের প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, আমি আপনাদের সন্তানের চাকরির দাবি নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করছি। রাজপথে কথা বলছি। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রোষানলে পড়েছি। বারবার মামলা-হামলার শিকার হয়েছি। মৃত্যু কোল থেকে ফিরে এসেছি, হয়ত এই জনপদের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য। এই জনপদের উন্নয়নের জন্য আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, এই জনপদের জন্য তারেক রহমান আমাকে প্রতিনিধি করেছেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নুর বলেন, যখন কৃষক ধানের মূল্য পায়নি, আমি কৃষকের অধিকার নিয়ে কথা বলছি। দশমিনা-গলাচিপার অনেক মানুষ গার্মেন্টসে চাকরি করে, আমি তাদের মজুরি বৃদ্ধির জন্য কথা বলছি। শিক্ষকদের মানসম্মান বৃদ্ধির জন্যও কথা বলছি। চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গ্রাম্য পুলিশের বেতন বৃদ্ধির জন্য কথা বলছি। এসব কথা বলতে গিয়ে বার বার রোষানলে পড়েছি। আমি নির্বাচিত হয়ে আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়ে দশমিনা গলাচিপার উন্নয়ন করতে চাই।
তিনি বলেন বলেন, দেশি-বিদেশি অন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর এই পটুয়াখালীর দিকে। একটি দুষ্ট চক্র এই নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য সাধারণ মানুষকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। ভোটকেন্দ্র দখল করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে আগামীর বাংলাদেশ সংকটে পড়বে। তাই আপনাদের দায়িত্ব আপনারা সঠিকভাবে পালন করবেন। ভোটাররা কোনো অভিযোগ দিলে প্রশাসন তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নিবেন।
তিনি আরও বলেন, আমার ভেতর থেকে কষ্টের কান্না আসে। আপনাদের কৃতি সন্তান মরহুম আবদুল বাতেন তালুকদার এমপি হয়ে দশমিনা উপজেলার যে উন্নয়ন করেছে, তারপর আর এই জনপদে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। আপনারা ১৯৯১ সালে আবদুল বাতেন তালুকদারকে ভোট না দিয়ে যে ভুল করেছেন তার খেসারত ২০২৪ সাল পর্যন্ত দিয়েছেন। আপনারা পুনরায় এমন ভুল আর করবেন না। আমি আপনাদের সন্তান, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। আমি আপনাদের এলাকার উন্নয়ন কাজ করতে চাই।
নুর বলেন, নিজেদের ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার আকাঙ্ক্ষার কথা আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছিলাম। আগামী ১২ তারিখ আপনাদের সেই ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে। আপনারা সকলে আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশি নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। ভোট শেষ হওয়ার পর বিজয়ের রেজাল্ট নিয়ে আনন্দ উল্লাস করে মিষ্টি খেয়ে কেন্দ্র থেকে বের হবেন। আপনারা যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন আগামী ১২ তারিখ আপনাদেরকে নিয়ে গরু-খাসির ভূরিভোজন করে বিজয় উৎসব পালন করব।











