বৃহস্পতিবার | ১২ ফেব্রুয়ারি | ২০২৬
spot_img

ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিক বুশরাকে পুনরায় আটক করলো ইসরাইল

বন্দী বিনিময়ে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিক বুশরা আল তাওয়িলকে পুনরায় আটক করলো গাজ্জায় গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিক বুশরা আল-তাওয়িলকে পুনরায় আটক করেছে ইসরাইল। গত শুক্রবার দখলকৃত ফিলিস্তিনের রামাল্লার নিকটবর্তী একটি সামরিক চেকপয়েন্ট থেকে তাকে আটক করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চেকপয়েন্টে আটকের পর ইসরাইলী সেনারা তাকে প্রথমে আল-মাস্কুবিয়া জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেখান থেকে তাকে একটি মহিলা কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়।

বুশরা সম্প্রতি ২০২৫ সালের জানুয়ারীতে হামাস-ইসরাইল বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় মুক্তি পান। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে তিনি ইসরাইলী কারাগারে আটক ছিলেন।

তার বাবা জামাল আল-তাওয়িল একজন হামাস নেতা। তিনিও বন্দী বিনিময়ে ইসরাইলী কারাগার থেকে বেরিয়ে কয়েক মাস পূর্বে পুনরায় অবৈধ রাষ্ট্রটির সেনাদের হাতে আটক হোন।

সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, বুশরা আল-তাওয়িল ২০১৩ সালে রামাল্লার মডার্ন কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও আলোকচিত্র বিষয়ে স্নাতক পড়াশোনা শেষ করেন। পরবর্তীতে আ’নিন আল-কায়েদ নামের একটি মিডিয়া নেটওয়ার্ক সাথে কাজ করেন। ইসরাইল থেকে ছাড়া পাওয়া প্রাক্তন ফিলিস্তিনি বন্দীগণ বন্দী-অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই মিডিয়াটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

বুশরা এই মিডিয়া নেটওয়ার্কের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। বন্দীদের অধিকার সংশ্লিষ্ট প্রচারণার জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে সহায়তা করতেন। মানবাধিকার রক্ষায় তিনি ফিলিস্তিনি বন্দীদের উপর চালানো ইসরাইলী বর্বরতা, নৃশংসতা ও আইন লঙ্ঘনের তথ্য সংগ্রহ করতেন। বন্দী ও তাদের পরিবারের সমর্থনে প্রচারণা চালাতেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলী গণহত্যা অভিযানে আটকের পূর্বেও তিনি পৃথক পৃথকভাবে সর্বমোট ৫ বছরেরও বেশি সময় ইসরাইলী কারাগারে আটক ছিলেন।

২০১১ সালের ৬ জুলাই তিনি প্রথমবারের মতো আটক হয়েছিলেন, তখন তার বয়স ছিলো মাত্র ১৮ বছর। তখন তাকে ১৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিলো অবৈধ রাষ্ট্রটির আদালত।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ