নোয়াখালীর ১ আসনের চাটখিল ও সোনাইমুড়ী এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম নিজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় তার অন্তত ১০ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। হামলার জন্য তিনি স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন।
বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের মুহুরীগঞ্জ আব্দুল মতিন পাটোয়ারী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা জানান।
ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ও জয়াগ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক নিখিল চন্দ্র সিংহ বলেন, রাত ১০টার দিকে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম কয়েকজন সংবাদকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছিলেন। হঠাৎ বাইরে থেকে কয়েকজন ব্যক্তি এসে হট্টগোল শুরু করে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তাদের কেন্দ্রের বাইরে বের করে দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর বাইরে থেকে চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ শোনা যায়।
হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “আমার নিজগ্রাম মুহুরীগঞ্জ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হঠাৎ বাইরে থেকে কিছু লোক এসে আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। একপর্যায়ে আমাকে হামলা করে লাঞ্ছিত করা হয়। আমার ভাগিনা আবদুর রহমান, কর্মী শাহাজান, ফরহাদ, রুবেলসহ অন্তত ১০ জন সমর্থককে মারধর করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিষয়টি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরিন আক্তারকে অবহিত করা হয়েছে। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরিন আক্তার বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ওই কেন্দ্র কমিটির আহ্বায়ক মাসুদুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।











