ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিশাল ভোটযুদ্ধের মধ্যেও নিজেদের অস্তিত্ব ও শক্তির জানান দিয়েছে কওমী আলেম-উলামাদের নেতৃত্বাধীন ইসলামী দলগুলো। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফলে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কওমী ধারার প্রধান ৬টি রাজনৈতিক দল সম্মিলিতভাবে মোট ভোটের ৬.০৭ শতাংশ নিজেদের ঝুলিতে ভরতে সক্ষম হয়েছে।
কওমী আলেম-উলামাদের নেতৃত্বাধীন দলগুলোর মধ্যে একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। হাতপাখা প্রতীকে দলটি এককভাবেই পেয়েছে মোট ভোটের ২.৭০ শতাংশ। বড় দুই জোটের বাইরে একক দল হিসেবে এটিই সর্বোচ্চ ভোট।
ভোটের মাঠে বেশ ভালো ফলাফল করেছে দুই খেলাফত মজলিস। এর মধ্যে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীক নিয়ে পেয়েছে ২.০৯ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদও ডক্টর আহমদ আবদুল কারের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস দেয়াল ঘড়ি প্রতিকে পেয়েছে ০.৭৬ শতাংশ ভোট। এই দুটি দলই এবার জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের অংশ হয়ে নির্বাচনে লড়েছে এবং জোটের ভোট বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটে থেকে নির্বাচন করা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ খেজুর গাছ পেয়েছে ০.৪৭ শতাংশ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি বই প্রতিকে ০.০৪ শতাংশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন বটগাছ প্রতিকে ০.০১ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
পরিসংখ্যান বলছে, এই ৬টি দলের সম্মিলিত ভোট ৬ শতাংশের বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ৬ শতাংশ ভোট যেকোনো নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।











