ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দেশটির হোম ফ্রন্ট কমান্ড ও বিভিন্ন উদ্ধার সংস্থাকে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইসরাইলি গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।
দৈনিক ইয়েডিওথ আহরোনোথ জানায়, নেতানিয়াহু সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থায় ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে।
সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান জানিয়েছে, ইরান ইস্যুতে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নির্ধারিত নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠক হঠাৎ স্থগিত করে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের কারণ জানানো হয়নি।
ইয়েডিওথ আহরোনোথ তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ইসরাইলের মূল্যায়ন অনুযায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শিগগিরই ইরানের বিরুদ্ধে বিস্তৃত হামলা চালাতে পারেন। কারণ, তেহরান আমেরিকার দাবিগুলো আলোচনার টেবিলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ধারণা, ইরান সময়ক্ষেপণ ও বিভ্রান্তির কৌশল নিচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সীমিত পরিসরের নিরাপত্তা বৈঠকগুলোতে ধারণা করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে, ইসরাইল সরাসরি অংশ নিক বা না নিক, ইরান প্রথম প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে। দেশটিতে এখন এমন ধারণা জোরদার হয়েছে যে সম্ভাব্য সংঘাতের সময়সীমা দ্রুত এগিয়ে আসছে।
ইসরাইলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আমানের সাবেক প্রধান আমোস ইয়াদলিন বলেছেন, ‘আমরা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে হামলার অনেক কাছাকাছি অবস্থানে আছি।’
অন্যদিকে, দৈনিক ইসরাইল হায়োম নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক হামলা চালালে ইরান দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরাইলে আঘাত হানতে পারে, এমন আশঙ্কাই নিরাপত্তা মহলে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে এবং সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
সিএনএন আরবি দুই ইসরাইলি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে সমন্বিত অভিযানের সম্ভাবনা বাড়ায় ইসরাইল সর্বস্তরে প্রস্তুতি নিচ্ছে।











