মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে খুব শিগগিরই ইউরোপ জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি জায়ান্ট শেলের প্রধান নির্বাহী ওয়ায়েল সাওয়ান।
তার মতে, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহে চাপ ইতোমধ্যে এশিয়ায় প্রভাব ফেলেছে এবং তা দ্রুত ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউরোপের দেশগুলোকে জ্বালানি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে হতে পারে, যেমনটি ২০২২ সালের সংকটে দেখা গিয়েছিল। খবর দ্য টেলিগ্রাফ।
সংকটের মূল কারণ হিসেবে ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বিশ্বে প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক প্রস্তুতি নিলেও শান্তি আলোচনা চলার দাবি করেছেন। সংঘাত এখন চতুর্থ সপ্তাহে গড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা ইতোমধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজনে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’, গতি সীমা কমানো ও গণপরিবহন ব্যবহারের মতো পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানির দাম আরও বাড়বে এবং ইউরোপসহ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।










