spot_img
spot_img

পাকিস্তানে ইরান–আমেরিকা আলোচনার আগে ট্রাম্পের সতর্ক আশাবাদ

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ কূটনীতি শুরু হতে যাচ্ছে। এ নিয়ে আমেরিকার পক্ষ থেকে সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি যে অত্যন্ত নাজুক, সেটিও তারা স্বীকার করেছে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়। সেখানে জেডি (ভ্যান্স), স্টিভ এবং জ্যারেড আছে। আমাদের একটি দক্ষ দল রয়েছে এবং আগামীকাল তারা বৈঠকে বসছে। আমরা দেখব সব কেমন চলছে।”

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মূলত আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং শীর্ষ উপদেষ্টাদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিনিধি দলের কথা উল্লেখ করে তিনি এসব বলেন। ট্রাম্প আমেরিকার প্রতিনিধি দলের ওপর আস্থার কথা জানান। তবে আলোচনার ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত, এমন কোনো আভাস দেওয়া থেকে তিনি বিরত থাকেন।

একই সময়ে ট্রাম্প এই আলোচনাকে স্পষ্টভাবে কৌশলগত ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, ওই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ও কৌশলগত পয়েন্টগুলোর সঙ্গে জড়িত অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থই শেষ পর্যন্ত এই আলোচনার ফলাফল নির্ধারণ করবে।

ট্রাম্প বলেন, “প্রণালিটি (হরমুজ) খুলে যাবে। আমরা যদি কেবল এটি ছেড়ে দিই, তবে এটি এমনিতেই খুলে যাবে।”

আমেরিকা সরাসরি এই নৌপথের ওপর নির্ভরশীল নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আমরা এই প্রণালি ব্যবহার করি না, অন্যান্য দেশগুলো এ কাজে এগিয়ে আসবে।”

কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে কোনো বিকল্প পরিকল্পনা (ব্যাকআপ প্ল্যান) আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি তা নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, “এটি সহজ হবে না, তবে আমরা খুব দ্রুতই পথটি খুলে দিতে পারব।” বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কোনো ব্যাকআপ প্ল্যানের প্রয়োজন নেই।”

সূত্র: ডন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ