ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে আমেরিকার সাম্প্রতিক হামলা তেহরানের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফুয়াদ ইজাদি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অধ্যাপক ইজাদি বলেন, ইরান নিশ্চিত করতে চায়, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ যেন তাদের হাতেই থাকে। এখানে একটি পরিবর্তন এসেছে। তেহরানে সরকার পরিবর্তন না হলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে।
তিনি বলেন, ইরান এর জন্য যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত। কারণ, এটি তাদের একটি বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে।
আমেরিকা ও ইসরাইলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের প্রসঙ্গে ইজাদি বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পারস্য উপসাগরের একেবারে তীরেই সামরিক ঘাঁটি থাকা ইরানের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
তিনি বলেন, ইরান একটি বিশাল দেশ। তাদের কাছে পর্যাপ্ত দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে।
ইজাদি জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই সংকটের একমাত্র সমাধান আলোচনার মাধ্যমে হতে পারে।
আমেরিকার নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আজ ইরানের কয়েকটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা হয়তো সাময়িক আনন্দ পেতে পারেন। তবে তারা যদি সামরিক উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করতে চান, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে তাদের নীতিগত লক্ষ্য অর্জনে সফল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তিনি আরও বলেন, এই সংকটের সমাধান সামরিক উপায়ে সম্ভব নয়। এর জন্য রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন। ওয়াশিংটনের অনেকেই এখন বিষয়টি উপলব্ধি করতে শুরু করেছেন।











