সম্প্রতি আফগান ভূখণ্ডে পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান হামলা প্রতিবাদে কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেই সাথে মন্ত্রণালয় প্রশ্ন তুলে বলেছে, “এক ভূখণ্ডে শিশু ও নারীদের হত্যা কীভাবে আরেক ভূখণ্ডে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে?”
আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তলব করে তার কাছে আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন ও নিরীহ বেসামরিক মানুষের বাড়িঘরে বোমা হামলার বিষয়ে কঠোর ও দৃঢ় প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গত রাতে পাকিস্তানের সামরিক শাসনব্যবস্থা আবারও স্পষ্টভাবে আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে খোস্ত, পাকতিকা ও কুনার প্রদেশের কয়েকটি এলাকায় বেসামরিক নাগরিকদের বাড়িঘরে বোমা হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ১১ শিশু, এক নারী ও এক বৃদ্ধ শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন নারী ও শিশুসহ আরও ১৪ জন বেসামরিক নাগরিক।
ইমারাতে ইসলামিয়া এই হামলা এবং যাকে তারা মানবতাবিরোধী অপরাধ বলেছে, সেটিকে আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি ও আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের ভূখণ্ড রক্ষা করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইমারাতে ইসলামিয়ার ধর্মীয় দায়িত্ব।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তানি পক্ষের বোঝা উচিত, প্রক্সি নীতি অনুসরণের পরিবর্তে নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার মৌলিক সমাধান খোঁজা উচিত।
বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা আবারও স্পষ্টভাবে জোর দিয়ে বলছি, এসব পুনরাবৃত্ত উসকানিমূলক পদক্ষেপ ও অপরাধের সব পরিণতির দায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ওপরই বর্তাবে।”
সূত্র: তোলো নিউজ











