আমেরিকার সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড, সেন্টকম, বুধবার নিশ্চিত করেছে, তারা ইরানের অভ্যন্তরে একাধিক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ‘অতিরিক্ত আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে। এর মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলো।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা আজ রাতে ইরানের ওপর খুব কঠিন আঘাত হানবে।
তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার, বিমান-বিধ্বংসী ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সব ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সেই সঙ্গে তাদের অধিকাংশ আক্রমণাত্মক সক্ষমতাও উধাও হয়ে গেছে।
অন্যদিকে এই হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী, আইআরজিসি।
বিবৃতিতে আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, আমেরিকা যতক্ষণ শত্রুতাপূর্ণ আচরণ করবে, ইরান ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত জবাব দিয়ে যাবে।
এ ছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ইরানের এই এলিট বাহিনী, যা আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যের জন্য বড় ধাক্কা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি এবং পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে এপ্রিল মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখন সম্পূর্ণ ভেস্তে যাওয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ইরান সরকারও আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, একের পর এক হামলার কারণে এই যুদ্ধবিরতি এখন সম্পূর্ণ ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা, এনডিটিভি











