তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন, গাজ্জা ও লেবাননে ইহুদিবাদী হত্যাকারীরা সব আইন, বিধি ও নীতিমালা পদদলিত করে রক্ত ঝরিয়ে যাচ্ছে।
শুক্রবার (১২ জুন) তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় এদিরনে সেলিমিয়ে মসজিদ পুনরায় ইবাদতের জন্য খুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এরদোগান বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে সংকটপূর্ণ সময়গুলোর একটির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এ অঞ্চল ও গোটা বিশ্ব। একটি সংকটের সমাধান হওয়ার আগেই আরেকটি সংকট সামনে এসে হাজির হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা এমন দিন পার করছি, যখন ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমার শব্দে শিশুদের কান্না চাপা পড়ে যাচ্ছে। আগামীকাল কী ঘটবে কিংবা কোথায় অস্ত্রের সংঘাত ছড়িয়ে পড়বে, তা কেউই অনুমান করতে পারছে না।
তিনি আরও বলেন, গাজ্জা ও লেবাননে রক্তপাত অব্যাহত রয়েছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই ইরানের ওপর হামলার কারণে আমাদের অঞ্চল এখন চড়া অর্থনৈতিক মূল্য দিচ্ছে।’
তিনি বলেন, কৃষ্ণসাগরের সমস্যাগুলো অব্যাহত থাকার মধ্যেই পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ‘নতুন ষড়যন্ত্র’ সাজানো হচ্ছে এবং ‘নতুন খেলা’ খেলা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সেবা ও উন্নয়নের রাজনীতি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি তুরস্ক নিজেকে আঞ্চলিক অস্থিরতা থেকে দূরে রাখতে কাজ করছে।
সন্ত্রাসমুক্ত তুরস্ক প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, কয়েক দশকের পুরোনো একটি সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে চায় আঙ্কারা।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমে আমাদের দেশ এবং পরে আমাদের অঞ্চল থেকে সন্ত্রাসবাদের অন্ধকার ছায়া পুরোপুরি দূর করতে চাই। এ লক্ষ্য অর্জনের পথে আমরা এখন পর্যন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছি। আশা করি, সামনে আমরা আমাদের গতি আরও বাড়াব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একমাত্র চিন্তা ৮ কোটি ৬০ লাখ মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য তুরস্কের শতাব্দী গড়ে তোলা।’
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি











