প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, আমাদেরকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান, দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধবংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সভা কক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এবং তার সরকার এমন একটা দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠির বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তিনি। কাউকে আলাদা মনে করেন না।
তিনি বলেন, এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গে টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে এত এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে এখনো বিষ্মিত হই। কেননা ১৭ বছর তো এগুলো এড্রেস হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো যদি এড্রেস করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতো। আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপ টা এসেছে আমাদের সরকারের ওপরে। এই সরকারের ওপরে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি, সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।
তিনি আরও বলেন, ওরা একটা জেনারেশকে ধ্বংষ করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ বেডের হাসপাতাল স্থাপিত হয়েছে। তারপর আমাদের সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে ততবারই সেটার উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটা ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১০১ বেডে উন্নীত করার। অথচ আগের সরকার ইউনিয়ন ভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলো। কিন্তু সেগুলোর কোন কার্যক্রম নেই।










