স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণ বিতরণ করেছে আল্লামা শেখ আব্দুস সোবহান ফাউন্ডেশন ও জামেয়া মাখজানুল উলূম জলদি প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আল্লামা শেখ আব্দুস সোবহান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জামেয়া মাখজানুল উলূম জলদির মুহতামিম মাওলানা হাফেজ আব্দুর রহমান।
কার্যক্রম শেষে সংক্ষিপ্ত দোয়া পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও জামেয়ার শায়খুল হাদিস মাওলানা নুরুল হক।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জামেয়ার শিক্ষা পরিচালক মুফতি রিয়াজুদ্দিন কামাল বলেন, আল্লামা শেখ আব্দুস সোবহান ফাউন্ডেশন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা শেখ আব্দুস সোবহান রহ.-এর আদর্শ ও স্মৃতিবিজড়িত একটি দ্বীনি ও মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় আড়াই শতাধিক মসজিদ নির্মাণ, হাজার হাজার নলকূপ স্থাপন এবং অসংখ্য জনহিতকর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
মুফতি রিয়াজুদ্দিন কামাল বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে জরুরি ত্রাণ বিতরণের এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এ জন্য তিনি আল্লামা শেখ আব্দুস সোবহান ফাউন্ডেশন ও জামেয়া মাখজানুল উলূম জলদি প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় মানুষের যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা শুধু ত্রাণ বিতরণের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব নয়। দুর্গত মানুষের পুনর্বাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও জীবিকা পুনর্গঠনে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, দাতব্য সংস্থা এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা, জামেয়া মাখজানুল উলূম জলদি প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আল্লামা শেখ আব্দুস সোবহান ফাউন্ডেশন ও জামেয়া মাখজানুল উলূম জলদি প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, মানবকল্যাণ, শিক্ষা, দাওয়াহ ও দুর্যোগকালীন সহায়তাসহ বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।










