ধর্মীয় আলেম ও সরকারি কর্মকর্তারা যথাযথভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করলে তা সমগ্র জনগোষ্ঠীর সংশোধন ও সংস্কারে ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা মাওলানা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা।
তিনি বলেন, ইসলামি শরিয়তের কাঠামোর মধ্যে সমাজকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে ধর্মীয় আলেম ও সরকারি কর্মকর্তাদের পৃথক, তবে পরস্পরের পরিপূরক ভূমিকা রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে অর্পিত কর্তৃত্বের মাধ্যমে ধর্মকে সুরক্ষিত রাখা তাদের দায়িত্ব। আর ধর্মীয় আলেমদের দায়িত্ব হলো জনগণের কাছে ইসলামি শিক্ষা ও বিধান ব্যাখ্যা করা এবং তা পৌঁছে দেওয়া।
কান্দাহার প্রদেশের বিভিন্ন জেলা ও শহরাঞ্চল থেকে আসা ধর্মীয় আলেমদের এক সমাবেশে মাওলানা হিবাতুল্লাহ এসব কথা বলেন। বুধবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার ডেপুটি মুখপাত্র মাওলানা হামদুল্লাহ ফিতরাত।
মাওলানা আখুন্দজাদা ধর্মীয় বিষয়ে আলেমদের ‘উলুল আমর’ বা কর্তৃত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, সরকারি কর্মকর্তারা শরিয়ত অনুযায়ী শাসনব্যবস্থা পরিচালনা, সংস্কার এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য বিষয় দেখভালের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বলেন, মানুষ পথনির্দেশনার জন্য উভয় গোষ্ঠীর দিকেই তাকিয়ে থাকে এবং তাদের আচরণ সমাজের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।
তিনি আরও বলেন, “ধর্মীয় আলেম ও কর্মকর্তারা যদি যথাযথভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে পুরো সমাজের সংশোধন হবে।”
ইসলাম ও শরিয়ত সংরক্ষণে ধর্মীয় আলেমদের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ ও কঠিন-উভয় সময়েই আলেমরা ইসলামি নীতিমালা শিক্ষা দেওয়া এবং তা সমুন্নত রাখার কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
আফগান আমিরুল মু’মিনীনের বলেন, আল্লাহ ধর্ম ও ইসলামকে ধর্মীয় আলেম ও কর্মকর্তাদের কাছে আমানত হিসেবে অর্পণ করেছেন এবং তা রক্ষার দায়িত্ব তাদের ওপর দিয়েছেন।
সমাবেশে ইসলামি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা এবং ধর্মীয় নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সূত্র: আরিয়ানা নিউজ










