spot_img

পাক বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত ১,১৮৭ আফগান নাগরিক হতাহত: রাওয়াদারি

২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নারী-শিশুসহ ১ হাজার ১৮৭ জন হতাহত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) প্রকাশিত মানবাধিকার সংস্থা রাওয়াদারির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খোস্ত, পাকতিয়া, পাকতিকা, নানগারহার, কুনার, কাবুল, নুরিস্তান, কান্দাহার ও হেলমান্দ প্রদেশে এসব হামলা চালানো হয়।

ভুক্তভোগী, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে রাওয়াদারি। এতে বলা হয়েছে, এসব হামলার কারণে ওই সময়ে ২৯ হাজারের বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ ছাড়া শত শত বাড়িঘর, বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মসজিদ ও অন্যান্য জনসেবামূলক স্থাপনা সম্পূর্ণ অথবা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে।

রাওয়াদারি জানিয়েছে, কাবুলে একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে পাকিস্তানের চালানো হামলায় অন্তত ৩০০ রোগী ও কর্মী শহীদ হয়েছেন। সংস্থাটি এ হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব হামলায় শুধু হতাহত ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতিই হয়নি, বরং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দুর্ভোগও সৃষ্টি হয়েছে। ভয়, বাস্তুচ্যুতি, শিশুদের শিক্ষাজীবনে বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্যকে হামলাগুলোর প্রধান পরিণতি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

সংস্থাটি বলেছে, অধিকাংশ হামলা রাতে চালানো হয়েছে। এসব হামলায় সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে কোনো পার্থক্য করা হয়নি। এর ফলে বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে।

বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগের অবসান, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে সহায়তা করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে রাওয়াদারি।

সূত্র: তোলো নিউজ

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ