spot_img

শতাধিক দেশে পণ্য রপ্তানি করছে আফগানিস্তান: আফগান বাণিজ্যমন্ত্রী

ছয়টি বাণিজ্য করিডোরের মাধ্যমে বিশ্বের শতাধিক দেশে পণ্য রপ্তানি করছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ২৫০ ধরনের রপ্তানিযোগ্য পণ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী নূরুদ্দিন আজিজি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানী কাবুলে জাতীয় রপ্তানি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে ১৪০৪ সালের শীর্ষ রপ্তানিকারকদের সম্মাননা দেওয়া হয়। এতে ইমারাতে ইসলামিয়ার কর্মকর্তারা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং কয়েকজন বিদেশি কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন।

নূরুদ্দিন আজিজি বলেন, “আমরা যখন প্রথম শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন দেশে দুই হাজারেরও কম কারখানা ছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা সাড়ে ছয় হাজার ছাড়িয়েছে।”

পাকিস্তানের অর্থনৈতিক নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাজনীতিকে বাণিজ্য থেকে আলাদা রাখা উচিত।

নুরুদ্দিন আজিজি বলেন, “আমাদের বাণিজ্যপথগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এতে আমরা গুরুতর সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলাম। ফলমূল ও শাকসবজি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং কনটেইনারগুলো ফেরত পাঠানো হয়েছিল। এমনকি এখনো করাচি বন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে আমাদের কয়েকটি কনটেইনার অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে।”

প্রশাসনিক দপ্তরের প্রধান নূরুল হক আনওয়ার বলেন, ব্যবসায়ীদের জন্য আরও বেশি সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে। একই সঙ্গে আফগানিস্তানকে স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আতাউল্লাহ ওমারি বলেন, আফগানিস্তানের তাজা ও শুকনো ফল অসাধারণ গুণগত মানের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোক্তাদের আস্থা অর্জন করেছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে ডালিম, আঙুর, খুবানি, কিশমিশ, পেস্তা, কাঠবাদাম, চিলগোজা ও জাফরান।

আফগানিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের মহাপরিচালক সাইয়্যেদ করিম হাশেমি এ আয়োজনকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে তিনি দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আফগানিস্তানে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

হাশেমি বলেন, “কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, শিল্পপতি ও রপ্তানিকারকেরা দারিদ্র্য কমানো এবং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।”

তবে আফগানিস্তানের সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যে রপ্তানির অংশ এখনো তুলনামূলকভাবে কম। দেশটির মোট বাণিজ্যের অধিকাংশ অংশ এখনো আমদানির দখলে রয়েছে।

সূত্র: তোলো নিউজ

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ