প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা অফিসের দায়িত্বে বিনা খরচে শিক্ষকদের ইএফটির ডাটা এন্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও কালিয়াকৈর উপজেলার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের জন্য ডাটা এন্ট্রির নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার ১২২টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৮ শত শিক্ষক রয়েছে। করোনাকালীন সময়ে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষকদের বেতন ভাতা ইএফটি’র মাধ্যমে প্রদান করতে বলা হয়েছে। এ লক্ষে শিক্ষকদের তথ্যসমূহ ডাটা এন্ট্রি করতে গিয়ে প্রতি শিক্ষকদের দিতে হচ্ছে ২ শত টাকা।
অভিযোগ রয়েছে শিক্ষকদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে ডাটা এন্ট্রির কাজ করছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসের হিসাব সহকারী আবু তাহের, মুরাদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, বাহাদুরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আওলাদ হোসেন। মেদুলিয়া কান্দপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিল চন্দ্র সরকার অভিযোগ করে বলেন, আমার বিদ্যালয়ের প্রতি শিক্ষকের জন্য ইএফটির ডাটা এন্ট্রি করতে গিয়ে দুইশত করে টাকা দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত মুরাদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমি ডাটা এন্ট্রির কাজ করে দিয়েছি তবে শিক্ষকদের নিকট থেকে টাকা নেইনি।












