চীনের তিব্বতে ভয়াবহ ভূমিধসের পর উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) উদ্ধারকর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় ভূমিধসে শত শত মানুষ নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, ভূমিধসে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ কাদা ও ধ্বংসাবশেষের কারণে একটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। সেই হ্রদের পানি উদ্ধারকারী দল যে এলাকার দিকে এগোচ্ছিল, সেদিকে উপচে পড়তে শুরু করেছে। ফলে সেখানে নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় সব উদ্ধারকারী দলকে আপাতত নিজ নিজ অবস্থানে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। এরই মধ্যে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো জরুরি উদ্ধারকর্মীদেরও এক কিলোমিটার পিছিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিব্বতের গিরং এলাকায় বুধবার কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত আঘাত হানার পর ওই হ্রদের সৃষ্টি হয়। সিসিটিভি জানিয়েছে, টানা বৃষ্টির কারণে আগামী তিন দিন হ্রদটির পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে। ১ সেপ্টেম্বরের দিকে পানি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্রদের বাঁধ ভেঙে গেলে বিপুল পরিমাণ পানি নিচের দিকে নেমে যেতে পারে। এতে গিরং বন্দরসহ আশপাশের নিম্নাঞ্চলে নতুন করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে জরুরি প্রকৌশল দলগুলো কাজ করছে। নিখোঁজদের সন্ধানে ড্রোনের মাধ্যমে ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরি, তাপ শনাক্তকারী প্রযুক্তি এবং সরাসরি তল্লাশি চালানো হচ্ছে।











