বিদ্যুতের পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে বিদ্যুৎমন্ত্রী আইসিইউতে চলে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, বিদ্যুতের পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে বিদ্যুৎমন্ত্রী আইসিইউতে চলে গেছেন। আগে যে বিদ্যুৎ বিল ১ হাজার ২০০ টাকা ছিল, এখন তা বেড়ে ৪ হাজার টাকা হয়েছে।
শনিবার (৫ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ এখন ঠিকমতো থাকে না। অথচ বিদ্যুতের বিল কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। সরকার তো বিদ্যুৎ ফ্রিতে দেয় না। এই অর্থ কোথায় যায়, এর কোনো হিসাব আমরা আজ পর্যন্ত পাইনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ এক কঠিন সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যারা আমাদের বলেছিল, নির্বাচনের পর সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে; যারা বলেছিল, এ দেশের মানুষ সংস্কার বোঝে না। তারা তিনবেলা ভাত খেতে চায় আজ তাদের ক্ষমতায় আসার ছয় মাস হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এখন এদেশের মানুষ সংস্কার তো পায়ইনি, এখন তিনবেলা ভাতও খাওয়ার সুযোগ নেই, বাসায় বিদ্যুৎ নাই, বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল আসছে। গ্যাসের চুলায় আগুন নাই, গরিবের কাজ নাই। লাখ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারাচ্ছে। আপনারা নির্বাচনের আগে ভালো ভালো কথা বলবেন। গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে আপনারা ক্যাম্পেইন করেছেন। কিন্তু নির্বাচনের পরে ১৮ কোটি মানুষকে দেওয়া কথা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেননি।
এনসিপি মুখপাত্র বলেন, নির্বাচনে কারচুপির মধ্য দিয়ে তারা ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু আমরা জানি, আপনারা ১১ দলীয় জোটকে সমর্থন দিয়েছেন। ১১ দলীয় জোট এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি আপনাদের এই সমর্থনকে সঙ্গে নিয়ে সামনের দিনেও আপনাদের অধিকারের কথা বলে যাবে।
তিনি বলেন, কোনো ধরনের হামলা-মামলা কিংবা হুমকির ভয় না করে এই জোট আপনাদের প্রতিবাদের ভাষা হয়ে থাকবে।
পথসভায় কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা।











