spot_img
spot_imgspot_img

বিশেষ কোন দেশের স্বার্থে বঙ্গোপসাগরে গ্যাস উত্তোলন করেনি ফ্যাসিস্ট সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে বিশেষ কোনো দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে বঙ্গোপসাগর থেকে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অনেকের মধ্যে ধারণা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে দেশের চলমান জ্বালানি সংকট ও গ্যাস অনুসন্ধান প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে বলে থাকেন, বিশেষ কোনো দেশের স্বার্থে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার বঙ্গোপসাগরে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ নেয়নি।

দেশের বর্তমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের নীতির সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান না করা এবং আমদানিনির্ভরতা বাড়ানোর ফলে বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে।

এর আগেও সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় নেওয়া পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতকে রীতিমতো পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে দীর্ঘদিনের ঘাটতির কারণেই বাংলাদেশকে আমদানিনির্ভর হতে হয়েছে।

বর্তমান সরকার এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানান তিনি।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে মোট ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন ও ওয়ার্কওভার করা হবে। ইতোমধ্যে ৩০টি কূপের কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গ্যাস সরবরাহের সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন এবং দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনাও নিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সংকট সমাধানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ যাতে আবার একই ধরনের জ্বালানি সংকটের মুখে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ