সিরিয়ার দখলকৃত ভূখণ্ডে দখলদার অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সফরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সফরকে সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের ‘নির্লজ্জ লঙ্ঘন’ বলে আখ্যা দিয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নেতানিয়াহু ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজকে সঙ্গে নিয়ে সিরিয়ার ভূখণ্ডে থাকা মাউন্ট হারমোনে যান। সেখানে তিনি ইসরাইলের ওই এলাকায় ‘নজিরবিহীন পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠার দাবি করেন।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর এই প্রবেশকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানায়। মন্ত্রণালয় জানায়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরাইলের লঙ্ঘন ও আগ্রাসন বন্ধ এবং ১৯৭৪ সালের বিচ্ছিন্নকরণ চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়। এর মাধ্যমে অঞ্চলটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সৌদি আরব।
নেতানিয়াহু সফরের সময় দাবি করেন, মাউন্ট হারমোন থেকে ইয়ারমুক নদী হয়ে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় ইসরাইল ‘নজিরবিহীন পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠা করেছে। এই বক্তব্যকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর দাবি হিসেবেই বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নেতানিয়াহুর সফরের নিন্দা জানিয়েছে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও। তারা এ প্রবেশকে সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে।
সূত্র : সৌদি প্রেস এজেন্সি, আনাদোলু ও এনাব বালাদি












