ইরানকে সম্পূর্ণ ‘মুছে ফেলা’, অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া অথবা একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর তিনটি বিকল্প সামনে থাকার কথা জানিয়েছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানকে ভালো আচরণ করতে হবে। অন্যথায় অদূর ভবিষ্যতে বড় ধরনের কিছু ঘটতে পারে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্যের বরাতে আল জাজিরা আরবি এ খবর জানিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে রয়েছি। অদূর ভবিষ্যতে অত্যন্ত বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে।’
ইরানের বিষয়ে নিজের সামনে থাকা তিনটি বিকল্প তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আলোচনার টেবিলে থাকা বিকল্পগুলো হলো ইরানকে মুছে ফেলা, দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে পচতে দেওয়া অথবা একটি চুক্তিতে পৌঁছানো।’
এরপর আরও কঠোর ভাষায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমার প্রশ্ন হলো, আমি কখন এবং আদৌ পুরো ইরানকে উড়িয়ে দেব কি না। তাদের ভালো আচরণ করাই উচিত।’
তবে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো সামরিক অভিযানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু জানাননি।
ইরানকে ধ্বংসের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প।
তিনি জানান, চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে তিনি ইতিবাচক।
তবে সম্ভাব্য এই বৈঠকের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতা হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের কয়েকজন কর্মকর্তা আত্মগোপনে রয়েছেন। ফলে চুক্তি করার মতো উপযুক্ত ব্যক্তিদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমেরিকান নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারির বিষয়েও কথা বলেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, সতর্কতা জারি করা হলেও চলতি সপ্তাহের পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য সপ্তাহগুলোর চেয়ে আলাদা নয়।
সূত্র : আল-জাজিরা











