হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামেই কেবল আন্তর্জাতিক, বাস্তবে এটিকে মাছের বাজার মনে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামেই কেবল আন্তর্জাতিক, বাস্তবে এর ভেতরের বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা দেখলে যে কারও এটিকে মাছের বাজার মনে হবে। বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানির প্রতিবাদ করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনাও সমালোচনা করেন তিনি।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাদিক কায়েম বলেন, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের বিমানবন্দরে পৌঁছানোর ১০ মিনিটের মধ্যে যাত্রীরা তাদের লাগেজ বুঝে পান। অথচ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই, তিন এমনকি চার ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও অনেক সময় যাত্রীরা লাগেজ পান না। শুধু দেরিতে লাগেজ পাওয়াই নয়, লাগেজ থেকে মালামাল চুরি এবং বিভিন্নভাবে যাত্রীদের হেনস্তারও শিকার হতে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা আশা করেছিলাম রাষ্ট্র এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু তা না করে যারা ভুক্তভোগী ও হয়রানির শিকার হয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন, উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই মামলা দেওয়া হয়েছে এবং সর্বশেষ মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ যাত্রীদের দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। যাত্রীদের এই ভোগান্তির সমাধান না করে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।
ডাকসু ভিপি বলেন, অবিলম্বে বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলা প্রত্যাহার করে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবি জানান তিনি।











