ইসরাইলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ বলেছেন, তার কাছে থাকা গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর দেশটির পার্লামেন্ট নির্বাচন হওয়ার আগে ইসরাইলের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই।
লাপিদ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ বা ইসরাইলে হামলার আশঙ্কা নিয়ে সতর্কবার্তাকে তিনি নিজের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যবহার করছেন।
বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে লাপিদ নেতানিয়াহুর কাছ থেকে নিরাপত্তা ও সামরিক বিষয়ে ব্রিফিং পান। বিশেষ করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান বা যুদ্ধের সম্ভাবনা নিয়ে তাকে এসব তথ্য জানানো হয়।
নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় নেতানিয়াহুর ভূমিকার সমালোচনা করে স্থানীয় রেডিও স্টেশন ১০৩ এফএমকে লাপিদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আসন্ন কোনো সন্ত্রাসী হামলা বা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিয়ে আলোচনার এজেন্ডা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এটি ইসরাইলের জন্য ভালো কি না, সেই প্রশ্ন ভোটারদের নিজেদের করা উচিত।”
ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যায় নেতানিয়াহু ইরান-সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে একটি নিরাপত্তা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
লাপিদ আরও বলেন, “আমার কাছে থাকা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাচনের আগে ইরানের সঙ্গে কোনো যুদ্ধের আশঙ্কা নেই।”
২৭ অক্টোবরের নির্বাচনকে নেতানিয়াহু এবং বিকল্প সরকার গঠনের চেষ্টা করা বিরোধী দলগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে ব্যাপকভাবে দেখা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে নেতানিয়াহুর জোটের তুলনায় বিরোধী দলগুলো এগিয়ে রয়েছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় স্পষ্ট পার্লামেন্টারি সংখ্যাগরিষ্ঠতা কোনো পক্ষেরই নেই।
২৯ সেপ্টেম্বর নেতানিয়াহু সতর্ক করে বলেছিলেন, নির্বাচনের আগে ইসরাইলের শত্রুরা হামলার চেষ্টা করতে পারে। এরপর লাপিদ তাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ভয় ছড়ানোর অভিযোগ করেন।
নেতানিয়াহুর সঙ্গে নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ের পর লাপিদ বলেন, জনগণকে আতঙ্কিত করার কোনো কারণ নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি











