ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আবদুল্লাহ আল-নুজাইলি দাবি করেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হুথিদের কমান্ড সেন্টার ও বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে ৯৮২টি সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩২৪ জন হুথি যোদ্ধা ও কমান্ডারকে নিষ্ক্রিয় করা এবং ১০৮টি সামরিক যান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবিও করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আল-নুজাইলি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, চলমান ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ফিল্ড আর্টিলারি ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করে সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছে। ইয়েমেনের বিভিন্ন ফ্রন্টে হুথিদের জন্য পাঠানো শক্তিবর্ধক বাহিনী, কমান্ড সেন্টার ও সরবরাহপথ লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়।
সরকারি বাহিনী তাইজ, মারিব, আল-জাওফ ও আল-বাইদা প্রদেশে হুথিদের অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন ফ্রন্টেও অভিযান চলছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এসব এলাকায় সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়েছে।
কয়েক মাস ধরে চলা অচলাবস্থা ভাঙতে সরকারি বাহিনীর সমর্থক ইউনিটগুলো চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ায় এসব এলাকায় নতুন করে লড়াই শুরু হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতি
আল-নুজাইলি আরও দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে হুথিদের ব্যবহৃত মাঝারি ও ভারী অস্ত্রের মজুতের পাশাপাশি ১০৮টি সামরিক যান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি জানান, ধারাবাহিক বোমাবর্ষণের লক্ষ্য ছিল হুথিদের সামরিক রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত করা এবং পরিকল্পিত স্থল অভিযানের আগে তাদের সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে লড়াই আরও তীব্র হয়েছে। এর মধ্যে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুথিদের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযান কয়েকটি ফ্রন্টজুড়ে কৌশলগত অবস্থান থেকে হুথিদের যোদ্ধাদের সরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের হামলাগুলো চলতি মাসে এখন পর্যন্ত এক দিনে পরিচালিত সর্বোচ্চ সংখ্যক অভিযান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র : ইয়েনি শাফাক











