স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে হঠাৎ অধিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মাছের ঘের, পুকুর, ঘরবাড়িসহ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে নিম্নাঞ্চলে।টানা এক সপ্তাহের তীব্র তাপদাহের পর আবার ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আতঙ্ক।
উপকূলবাসীরা বলেন, গত বছর ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ধকল কাটিয়ে উঠতে পারেনি অনেকেই। এরই মধ্যে আবার বন্যার তাণ্ডবের নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে।
বুধবার (২৭ মে) সরেজমিনে দেখা যায়, বরবগী ইউনিয়নের বাহির সাইট প্লাবিত হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য ঘর ছাড়ছেন নিম্নাঞ্চলের মানুষ।
মালিপাড়া বাইর সাইট এলাকার ধান-চাল ব্যবসায়ী মতিউর রহমান বলেন, ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর এত পানি দেখেননি তিনি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পানি বেড়ে গেছে। ঘরের চাল ছুঁই ছুঁই পানি উঠেছে।
রান্নাঘরের চুলাসহ সবকিছু তলিয়ে গেছে নিরাপদ আশ্রয়ে মতিউর রহমানের ভাইয়ের বাসায় আশ্রয় নিয়েছে তাদের পরিবার।












