ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় রফিকুল ইসলাম সবুজ নামের এক যুবলীগ নেতাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে
উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য নূরে আলম ও তার লোকজন।
বৃহস্পতিবার (১০ জুন) বিকালের ওই ঘটনায় রাতেই নূরে আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানা যায়, আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদে গত ৩১ মে ভিজিএফ চাল বিতরণ নিয়ে ওয়ার্ড মেম্বার নূরে আলমের সঙ্গে একই এলাকার বাসিন্দা যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম সবুজের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া দুইপক্ষের মধ্যকার ঘটে যাওয়া সমস্যা আপস-মীমাংসা করার কথাও বলেছিলেন।
আহত রফিকুল ইসলাম সবুজের ভাই জসিম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে খারকোট গ্রামের বাড়ি থেকে মোগড়াবাজার ফিরছিলেন তার ভাই রফিকুল ইসলাম সবুজ। পথিমধ্যে পূর্ব থেকে দেশীয় সশস্ত্র নিয়ে ওতপেতে থাকা নূরে আলম মেম্বার ও তার লোকজন রফিকুল ইসলাম সবুজের ওপর হামলে পড়ে। এ সময় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে ফেলে চলে যায়।
তিনি জানান, স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আখাউড়া থানার ওসি মিজানূর রহমান জানান, এ ঘটনায় ওই যুবলীগ নেতার ভাই মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ওয়ার্ড মেম্বার নূরে আলমকে রাতেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।












