পরমাণু অস্ত্র ও নিত্য নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়নে পরীক্ষা-নিরীক্ষা অব্যাহত থাকলেও খাদ্য সংকটে রয়েছে কিমের উত্তর কোরিয়া। দেশটির খাদ্য সংকট পরিস্থিতি এতোটাই উদ্বেগজনক যে, কৃষকদের প্রতিদিন নিজেদের জমিতে ২ লিটার করে মূত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কিম প্রশাসন। খাদ্য সংকট মোকাবেলায় জমির উর্বরতা বাড়ানোর জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যদিও চলতি বছর উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতির বেশ উন্নতি হয়েছে। তবে করোনা ভাইরাস এবং সম্প্রতি টাইফুনের কারণে সৃষ্ট খাদ্য সংকট নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জমিতে মূত্র দিলে দেশটিতে সার উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। সারের উৎপাদন বাড়ালেই ফসল উৎপাদন বাড়বে। এর ফলে ফলনও বাড়বে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, রাজধানী পিয়ং ইয়ংয়ে গত কয়েক মাস ধরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হতে শুরু করেছে। পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় নয়, এমন জিনিসপত্রের দামও বাড়তে শুরু করেছে উত্তর কোরিয়ার বিভিন্ন জায়গায়। উত্তর কোরিয়ায় জনসংখ্যার অনুপাতে ৮ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে বলে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা জানিয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার অনেক খাদ্যই বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। খাদ্য সরবরাহের ব্যাপারে চীনের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল উত্তর কোরিয়া। কিন্তু পরমাণু প্রকল্পের কারণে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় উত্তর কোরিয়াকে এখন বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।












