spot_img
spot_img

করোনা পরিস্থিতির কারণে মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারাতে পারেন মমতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী নভেম্বরের পরে মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারবেন কি না, তা নির্ভর করছে করোনার উপর। দলকে বিপুলভাবে জিতিয়ে আনলেও মমতা নিজে এবার নন্দীগ্রাম থেকে জিততে পারেননি। হেরে গেছেন তারই একসময়ের লেফটন্যান্ট শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। ফলে মমতা মুখ্যমন্ত্রী হলেও বিধানসভার সদস্য নন। নিয়মানুযায়ী, ছয় মাসের মধ্যে তাকে বিধানসভার সদস্য হতে হবে। তার জন্য ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে পদত্যাগ করেছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তার পুরনো কেন্দ্র ভবানীপুর থেকেই উপনির্বাচনে লড়বেন মমতা।

একাধিক রাজ্যে বিধানসভা ও লোকসভার উপনির্বাচন বাকি আছে। কিন্তু দেশের করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কোনো রাজ্যেই উপনির্বাচন করায়নি নির্বাচন কমিশন।

জনপ্রতিনিধি আইন অনুসারে বিধানসভার কোনো আসন খালি হলে তার ছয় মাসের মধ্যে উপনির্বাচন করাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। অবশ্য সেই পদের মেয়াদ যদি এক বছর বা তার কম হয়, তাহলে সেই বাধ্যবাধকতা নেই। অথবা নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকার যদি মনে করে পরিস্থিতি ভোট করানোর মতো নয়, তা হলেও উপনির্বাচন না করানো যেতে পারে।

সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তিরথ সিং রাওয়াত পদত্যাগ করছেন। বিজেপি’র পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাওয়াত লোকসভার সদস্য ছিলেন। তাকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিধানসভার সদস্য হতে হতো। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এখনো উপনির্বাচন করানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তাই রাওয়াত পদত্যাগ করেছেন। বিরোধীরা অবশ্য বলছেন, উত্তরাখণ্ডে বিজেপি’র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এত বেশি যে, রাওয়াতকে এই কথা বলে সরিয়ে দিলো বিজেপি। কারণ, তার জয় নিয়েও নাকি সন্দেহ ছিল।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ