কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় তুরস্কের সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে তালেবান।
তালেবান মুখপাত্রের তথ্যমতে, কাবুল বিমানবন্দরে তুর্কী সরকারের সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত ইমারাতে ইসলামিয়্যাহ আফগানিস্তানের আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জাতি ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের সাথে হঠকারিতার নামান্তর।
তালেবান এধরণের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আবদার রক্ষায় তুরস্কের সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঠিকই কিন্তু তাদের এই সিদ্ধান্ত আমাদের সাথে তাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে তুর্কী সরকারের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে তারা যেনো এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। কেননা দেশে যেকোনো ধরণের বিদেশি সেনাদের অবস্থান, তা যেকোনো নামে কিংবা যেকোনো দেশেরই হোক না কেনো তাকে আগ্রাসন বলে বিবেচনা করা হয়।
আর দখলদার সেনাদের সাথে যেমন আচরণ করা হয় এধরণের বিদেশি সেনাদের সাথেও ঠিক একই ধরণের আচরণ করার ফতোয়া দিয়েছেন আমাদের বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম, চাই তা তুরস্ক হোক না কেনো।
ওই তালেবান মুখপাত্র আরো বলেন, আমরা কারো কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করি না এবং আমাদের কোনো বিষয়ে কাউকে নাক গলাতেও দিবো না।
এসময় তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, তুরস্কের সরকার যদি এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ব্যাপারে পুনর্বিবেচনা না করে তবে ইমারাতে ইসলামিয়্যাহ আফগানিস্তান ও পুরো আফগান জাতি তার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিবে।
উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের গণমাধ্যমের তথ্যমতে দেশটির প্রধান বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রদানে তুরস্কের প্রস্তাব মেনে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
কাবুল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে হামিদ কারজাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে ইতিমধ্যে নতুন ডিফেন্স সিস্টেমও চালু করে দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ













