বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য ত্রাণ সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ৫০ জনের বেশি নারী। এসব অভিযোগ নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
গত বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তদন্ত কমিশন ৩৫ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে ৮৩ জনের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে ২১ জন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মী। ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এসব ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস বলেছেন, এই তদন্ত রিপোর্ট পড়ে গা শিউরে ওঠে। এই অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য।
তিনি আরও বলেন, ডব্লিউএইচও-তে কর্মরত ব্যক্তিরা নারীদের সাথে যে আচরণ করেছে তার জন্য আমি দুঃখিত। সংস্থা তাদের নিয়োগ করেছিল সেবার জন্য এবং সুরক্ষা দেবার জন্য। অপরাধীরা যাতে পার না পেয়ে যায় সেটাকে অগ্রাধিকার দেওয়া আমার দায়িত্ব। তাদের জবাবদিহিতা করতে হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আফ্রিকা অঞ্চলের পরিচালক মাতশিদিসো মোয়েতিও বলেন, তদন্তে যা প্রকাশ পেয়েছে তাতে আমি স্তম্ভিত, বিচলিত এবং মর্মাহত।
প্রসঙ্গত, এর আগে অভিযোগ ওঠে যে, কঙ্গোর নারীদের প্রচুর মদ খাওয়ানো হয়। তারপর হাসপাতালে তাদের ওপর জোর করে যৌন মিলনে বাধ্য করা হয়। এতে দুজন নারী অন্তঃস্বত্তাও হয়ে পড়ে।
২০১৮ সালে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ইবোলা ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রাণ হারায় ২ হাজারেরও বেশি মানুষ। ইবোলার বিস্তার ঠেকাতে বিশ্বব্যাপী যে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় তাতে নেতৃত্ব দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। গত বছর জুন মাসে ইবোলা মহামারির অবসান ঘোষণা করে সংস্থাটি।












