তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেছেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে থাকতে পারে না। আমরা মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্ম বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক বাংলদেশ বলে পরিচিত হতে দিতে পারি না। সাম্প্রদায়িক হামলা প্রতিরোধ করতে হলে একটাই সমাধান রয়েছে আমাদের কাছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রবর্তিত ১৯৭২ সালের সংবিধান। যে সংবিধানের মূলনীতি ছিল চারটি- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। প্রয়োজনে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্পকে সমূলে উৎপাটন করার জন্য আমরা ‘৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাব।
মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) আমেরিকার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় বাংলাদেশ হাইকমিশন ওয়াশিংটন ডি.সি. কর্তৃক আয়াজিত ‘ইমপর্টেন্ট অব পাবলিক ডিপ্লোমেসি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. মুরাদ হাসান বলেন, সংবিধানের ৫ম সংশোধনী জারি করে জেনারেল জিয়া রাষ্ট্রীয় মূলনীতি থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ বাতিল করেছিলেন, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল গঠনের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছিলেন, সংবিধানের শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ যোগ করেন এবং জেনারেল জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আরেক উর্দিধারী জেনারেল এরশাদ ৮ম সংশোধনীর মাধ্যম ইসলামকে ‘রাষ্ট্রধর্ম’ ঘোষণা করেছিলেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের জন্য যা যা বলেছেন তাই আমাদের জন্য আইন এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাদের যা যা করতে বলবেন তাই আমাদের জন্য আইন ও অবশ্য পালনীয় বলেছেন
তিনি বলেন, আমাদের কণ্ঠ দিয়ে বঙ্গবন্ধু’র কথা উচ্চারণ করতে হবে, এটাই আমাদের দায়িত্ব। আমাদের কণ্ঠ যেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র কথা ও চিন্তার বহিঃপ্রকাশ হয়। বঙ্গবন্ধু ও তার সুযোগ্য উত্তরসূরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক গৃহীত কোনও সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ বিষয়ে আমাদের মনে যেন কোনও প্রশ্ন না থাকে। কারণ, উনি আমাদের চেয়ে সব বিষয়ে বেশি জানেন এবং বেশি ভেবেই সিদ্ধান্ত দেন, নির্দেশনা দেন।











