spot_img
spot_imgspot_img

যেদিন রায় কার্যকর হবে সেদিন ভাববো আমরা বিচার পেয়েছি: শহীদ আবরারের মা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শহীদ আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার মা রোকেয়া খাতুন। তবে তিনি বলেছেন, সেই সাথে রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি করছি। যেদিন এ রায় কার্যকর হবে সেদিন ভাববো আমরা বিচার পেয়েছি।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারকে পিটিয়ে হত্যার বিচার শেষে রায় ঘোষণা করেন ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের বিচারক আবু জাফর কামরুজ্জামান।

মামলায় অভিযুক্ত ২৫ আসামির সবাইকে দোষী সাবস্ত করে আদালত। তাদের ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড আর পাঁচজনকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আবরারের মা সাংবাদিকদের বলেন, আমরা চেয়েছিলাম প্রত্যেক আসামির সবোর্চ্চ শাস্তি ফাঁসি। তবে আইনের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। সেই সঙ্গে আমি অমিত সাহার ফাঁসি চাই। আসামি অমিত সাহাকে আদালত যাবজ্জীবন দিয়েছে। কেন তার ফাঁসি চান সে বিষয়ে বিস্তারিত বলেননি আবরারের মা।

আবরারের বাবা, এ মামলার বাদী বরকত উল্লাহ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, এ রায়ে তিনি সন্তুষ্ট। তিনিও রায় দ্রুত কার্যকর হবে সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের অন্যতম আইনজীবী ফারুক আহমেদ এই রায়ে সন্তুষ্ট নন। তারা উচ্চ আদালতে যাবেন বলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মাস্টারমাইন্ড ও বড় ভাইদের নাম জাজমেন্টে আসা উচিত ছিল।

বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র আবরারকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। সেই ঘটনায় ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে বুয়েট। ওই শিক্ষায়তনে নিষিদ্ধ হয় ছাত্র রাজনীতি।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ