১২ দলীয় জোট থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বেরিয়ে গেল জোটের প্রধান শরিক জাতীয় পার্টি (জাফর)।
আজ শনিবার (১ মার্চ) দলের চেয়ারম্যানের খিলগাঁও কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ১২টি শরিক দল ২০২২ সালের ২২ ডিসেম্বর একত্রিত হয়ে ১২ দলীয় জোট গঠন করে। সেদিন ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন জোটের ঘোষণা দেন।
১২ দলীয় জোটে জাতীয় পার্টি (জাফর) ছাড়াও রয়েছে, কল্যাণ পার্টি, লেবার পার্টি, জাতীয় দল, বাংলাদেশ এলডিপি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা (তাসমিয়া প্রধান), এনডিপি, এলডিপি (সেলিম), মুসলিম লীগ, জমিয়াতে উলামায়ে ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোট, ইসলামিক পার্টি ও সাম্যবাদী দল।
তবে ১২ দলীয় জোট না থাকলেও বিএনপির নেতৃত্বে আগামী দিনেও সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশীজন হিসেবে লড়াই-সংগ্রামে থাকার বিষয়ে একমত হয়েছে নির্বাহী কমিটি।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব সাবেক এমপি আহসান হাবীব লিংকন, পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি নোয়াব আলী আব্বাস খান, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট হোসনে আরা আহসান, সেলিম মাস্টার, ব্যারিস্টার মোস্তফা হায়দার জুবায়ের, অ্যাডভোকেট মাওলানা রুহুল আমিন, অ্যাডভোকেট শফিউদ্দিন ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব এএসএম শামীম, কাজী মো. নজরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন মিয়া, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক লোকমান পাটোয়ারী, দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ছাত্র সমাজের সভাপতি কাজী ফয়েজ আহমেদ, যুব সংহতির আহ্বায়ক রইস উদ্দিন, সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন সরকার প্রমুখ।









