ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ আরও বাড়াবেন নাকি সমঝোতায় পৌঁছাবেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা স্পষ্ট করেননি ট্রাম্প।
ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করছেন, সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, “হয়তো তাদের উড়িয়ে দেবে।”
তিনি বলেন, “আমাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: আমরা তাদের উড়িয়ে দেব নাকি সমঝোতা করব। তবে সময় ঘনিয়ে আসছে। যেকোনো একভাবে খুব শিগগিরই এর সমাপ্তি হবে।”
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, তেহরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর পরিবর্তে ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।
সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনও অস্বীকার করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতির বিনিময়ে তিনি ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দেশটির জব্দ করা অর্থ ছাড়তে রাজি আছেন।
আমেরিকার সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস ও সিএনএন সোমবার জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার মধ্যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইরানকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দ করা অর্থ ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।
তবে ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প বলেন, “অ্যাক্সিওস এইমাত্র একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে ‘ট্রাম্প’ ইরানকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দ করা অর্থ ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। এটি সত্য নয়। আমি তাদের কিছুই প্রস্তাব করিনি!”
সপ্তাহান্তে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইরানের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ওই প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল উত্তেজনা কমানো এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া। সাত মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধের মধ্যে তেহরানের দেওয়া শর্তগুলোকে তিনি “অগ্রহণযোগ্য” বলে অভিহিত করেন।
সপ্তাহান্তে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে আরও আলোচনা হবে বলে তিনি আশা করছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, আগের আলোচনায় ইরানি কর্মকর্তারা “বাড়াবাড়ি” করে ফেলেছেন।
সূত্র : টিআরটি











