অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আফগানিস্তান ও আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাওলানা আবদুল মতিন কানী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) তিনি বলেন, একতরফাভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আফগানিস্তান তার দায়িত্ব পালন করেছে এবং এখনো করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আফগানিস্তান, প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মাওলানা কানী বলেন, এ বিষয়ে আফগানিস্তান অন্যান্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতা করে আসছে।
আফগানিস্তান ও আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার ওপর ইমারাতে ইসলামিয়ার এই গুরুত্বারোপ এমন সময়ে এলো, যখন আফগানিস্তান বিষয়ে অষ্টম মস্কো ফরম্যাট পরামর্শ বৈঠকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার সন্ত্রাসবাদবিরোধী সক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করা এবং গোয়েন্দা ও সামরিক সংস্থাগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখা এই অঞ্চলের সব দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাজিবুল্লাহ বাহাদুর বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলো বুঝতে পেরেছে যে, অঞ্চলের নিরাপত্তা দুর্বল করার লক্ষ্যে পরিচালিত কিছু প্রচেষ্টা মোকাবিলায় তাদের বর্তমান সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে। এ বিষয়ে সব আঞ্চলিক দেশের অবস্থান একই।
সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ইমারাতে ইসলামিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর আঞ্চলিক দেশগুলো জোর দিলেও, আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সন্ত্রাসবাদবিরোধী সমন্বয়ক এর আগে বলেছিলেন, আমেরিকা তাদের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সংবেদনশীল নিরাপত্তা বিষয়ে বর্তমান আফগান সরকারের সঙ্গে বাছাই করা কিছু ক্ষেত্রে যোগাযোগ করেছে।











