শনিবার | ৩ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

ইয়েমেন উত্তেজনা; যে অংশের নিয়ন্ত্রণ যাদের হাতে

২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির মধ্যদিয়ে ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুথি এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার পক্ষের দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের ইতি ঘটে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকারের পক্ষে থাকা সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল বা এসটিসি নিজেদের দাবীতে অনড় থাকায় সম্প্রতি নতুন করে দেশটিতে সামরিক উত্তেজনা শুরু হয়।

গোষ্ঠীটি ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলকে পৃথক রাষ্ট্রের দাবীতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থনে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করে।

হুথি

২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির সমঝোতায় রাজধানী সানা সহ ইয়েমেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলো ইরান সমর্থিত হুথিরা। তারা সানাকে রাজধানী করে স্বাধীন সরকার গঠন করে।

আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকার

হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকা ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকার পক্ষ পিএলসি (প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশীপ কাউন্সিল) ও দক্ষিণাংশে পৃথক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখা আমিরাত সমর্থিত এসটিসি (সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল) দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পায়।

হুথিদের কাছে সানা হারানোর পর আদেনকে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকারের রাজধানী ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এসটিসি এক পর্যায়ে তাদের দাবী অনুযায়ী দক্ষিণ ইয়েমেনে পৃথক রাষ্ট্র গড়তে বিদ্রোহ করে বসে। দক্ষিণাঞ্চলের শহর আদেন, লাহিজ, আবিয়ান, সোকোত্রা দ্বীপপুঞ্জ ও শাবওয়াকে সম্পূর্ণ নিজেদের বলে ঘোষণা দেয়। এমনকি পূর্বাঞ্চলের হাদরামাউতু প্রদেশের কিছু অংশও দখল করে নেয়। যার মধ্যে বৃহৎ সামরিক ঘাঁটি আল খাশাও অন্তর্ভুক্ত, যা সৌদি জোটের সহায়তায় গতকাল ২ জানুয়ারি পুনরায় নিজেদের দখলে নিতে সক্ষম হয় পিএলসি।

বর্তমানে দেশটির দক্ষিণাঞ্চল আমিরাত সমর্থিত এসটিসির এবং পূর্বাঞ্চল সৌদি সমর্থিত পিএলসির দখলে রয়েছে।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ